বিজ্ঞাপন:
সংবাদ শিরোনাম:
দেশীয় ফলের বৈচিত্র্যে পঞ্চগড়ে শুরু জাতীয় ফল মেলা ২০২৬ মাইকে ঘোষণা দিয়ে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, সড়কে মিলল হাত-পা বাঁধা মরদেহ বিরিয়ানির লোভে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান, গ্রেপ্তার ২ রেকর্ড টানা ১৪ বার গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে নকআউট পর্বে ব্রাজিল হাসপাতালে চিকিৎসকদের ওপর ছাত্রদলের ‘হামলার’ প্রতিবাদ শিবিরের অর্পিত সম্পত্তি কাণ্ডের প্রশ্নে উত্তপ্ত সেই ভাইরাল ভিডিও, বাস্তবে কী ঘটেছিল? ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একজন হারালেন চোখ, আরেকজনের মাথায় ৫ সেলাই সাংবাদিক হেনস্তার পর সাদুল্লাপুরের সেই এসিল্যান্ডকে পঞ্চগড়ের বোদায় বদলি চট্টগ্রামে গ্রেপ্তারের একদিন পর যুবলীগ নেতার মৃত্যু মসজিদের ভেতর থেকে ইমামের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, কক্ষে মিললো চিরকুট
স্কুলে ফিরছে বেত্রাঘাত, শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর পদক্ষেপ

স্কুলে ফিরছে বেত্রাঘাত, শৃঙ্খলা ফেরাতে কঠোর পদক্ষেপ

অনলাইন ডেস্ক: স্কুল শিক্ষার্থীদের মধ্যে বুলিং প্রতিরোধে নতুন শৃঙ্খলামূলক নীতিমালা ঘোষণা করেছে সিঙ্গাপুর সরকার। এতে কাউকে উত্ত্যক্ত বা হয়রানি করার ক্ষেত্রে শাস্তি হিসেবে বেত্রাঘাতের অনুমতি রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডেসমন্ড লি।

তিনি জানান, এই বিধিমালার আওতায় শুধু শারীরিক বুলিং নয়, বরং অনলাইন হয়রানি বা ‘সাইবার বুলিং’-ও অন্তর্ভুক্ত থাকবে। মঙ্গলবার পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, অন্যান্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ব্যর্থ হলে গুরুতর শৃঙ্খলাভঙ্গের ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সিএনএন এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিঙ্গাপুর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্প্রতি বুলিং প্রতিরোধে এই নতুন নীতিমালা ঘোষণা করেছে, যা ২০২৭ সাল থেকে দেশটির সব স্কুলে কার্যকর হবে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বেত্রাঘাতের আগে কঠোর প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। কেবল প্রধান শিক্ষকের অনুমোদনের পর প্রশিক্ষিত শিক্ষকরা এই শাস্তি প্রয়োগ করতে পারবেন। এছাড়া শিক্ষার্থীর বয়স ও মানসিক পরিপক্বতাও বিবেচনায় নেওয়া হবে।

শিক্ষামন্ত্রীর দাবি, গবেষণায় দেখা গেছে স্পষ্ট নিয়ম ও কার্যকর শাস্তি শিশু-কিশোরদের আচরণ সংশোধনে সহায়ক এবং বুলিং কমাতে ভূমিকা রাখে।

নতুন নীতিতে বলা হয়েছে, এই ব্যবস্থা শুধুমাত্র উচ্চ প্রাথমিক স্তরের ছেলে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে—যাদের বয়স ৯ বছর বা তার বেশি। তবে মেয়ে শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শারীরিক শাস্তি নিষিদ্ধ থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ধরনের শারীরিক শাস্তির বিরোধিতা করে জানিয়েছে, এটি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

সিঙ্গাপুরের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বেত্রাঘাত শুধু ছেলেশিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা যাবে এবং সেটিও ‘শেষ উপায়’ হিসেবে গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে।

কঠোর আইন প্রয়োগের জন্য পরিচিত সিঙ্গাপুরে সম্প্রতি এক ফরাসি কিশোরের বিরুদ্ধেও মামলা হয়েছে। অভিযোগ, সে একটি জুস ভেন্ডিং মেশিনের স্ট্র চেটে আবার সেটি মেশিনে রেখে দেয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে, যাতে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

এর আগে ১৯৯৩ সালে মার্কিন কিশোর মাইকেল ফে-এর ঘটনাও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। গাড়িতে স্প্রে পেইন্ট করার দায়ে তাকে কারাদণ্ড ও বেত্রাঘাতের সাজা দেওয়া হয়। পরে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের হস্তক্ষেপে শাস্তি কিছুটা কমানো হলেও সিঙ্গাপুর সরকার তাদের আইন প্রয়োগে অনড় অবস্থানে ছিল।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © ওয়েবসাইট এর কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার সম্পুর্ণ বেআইনি।
Design & Development BY : ThemeNeed.com